ঠান্ডা-সর্দির উপসর্গ থেকে মুক্তি দেবে যে খাবার

ঠান্ডা-সর্দির উপসর্গ থেকে মুক্তি দেবে যে খাবার

এখন ঋতু পরিবর্তনের সময়। এ সময় হুট করে ঠান্ডা লেগে যাওয়া, খুসখুসে কাশি কিংবা সর্দির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আবার শীতের সময় বেড়ে যাওয়া ধুলাবালির কারণেও অ্যালার্জিজনিত সর্দি-কাশি দেখা দেয়
ঠা
ন্ডা লাগলে গলায় খুশখুশে ভাব, নাক-চোখ দিয়ে পানি পড়া, মাথা ভার হয়ে থাকার মতো সব বিরক্তিকর উপসর্গ দেখা দেবেই


 কিছু খাবারের সাধারণ ঠান্ডার উপসর্গগুলো উপশম করতে সাহায্য করতে পারে। জার্নাল অব নিউট্রিশনাল সায়েন্সে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা বলছে, ভিটামিন সি এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার ঠান্ডার লক্ষণগুলোর তীব্রতা কমাতে পারে। এছাড়া গলা খুসখুস করার অস্বস্তিতেও আরাম দিতে পারে নির্দিষ্ট কিছু খাবার।


আদা
আদা প্রাকৃতিক প্রদাহ বিরোধী। এটি গলা ব্যথা প্রশমিত করতে এবং খুসখুসে ভাব কমাতে  সাহায্য করতে পারে। গরম আদা চা খেতে পারেন ঠান্ডার উপসর্গে আরাম পেতে। 


মধু
এক চামচ মধু কাশি এবং গলা জ্বালা থেকে মুক্তি দিতে পারে। মধুর সঙ্গে আদা মিশিয়ে খেলেও উপকার পাবেন। 


রসুন
রসুনের অ্যালিসিনে শক্তিশালী অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা শরীরকে ঠান্ডার ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।


সাইট্রাস ফল
কমলা, লেবু এবং জাম্বুরা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ; যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এই ভিটামিন ঠান্ডা উপসর্গের সময়কাল এবং তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে।


ভিটামিন ই ও সি

ভিটামিন ই ও সি খান। এখন বিশ্বাস করা হয় যে, ভিটামিন ই দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু চর্বি ও তেলজাতীয় খাবারে এটা বেশি থাকে বলে যাঁরা স্বল্প চর্বিযুক্ত খাবারে অভ্যস্ত, তাঁরা খাবার থেকে ভিটামিন ই খুব একটা বেশি পান না। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রতিদিন ১০০-২০০ আইইউ সমৃদ্ধ ভিটামিন ই ট্যাবলেট খান।


রসুন

খাবার সুস্বাদু করা ছাড়াও রসুন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। রসুন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, রক্তসঞ্চালন উন্নত করে এবং কোলেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা থেকে বাঁচতে আপনার দৈনন্দিন ডায়েটে রসুন অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করুন।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

রূপচর্চায় চন্দন