রূপচর্চায় চন্দন

রূপচর্চায় চন্দন

রূপচর্চা করার উপাদানগুলোতে শীতল ভাব থাকলে তা যেন বাড়তি পাওনা। চন্দন ওপরের সব বিষয়েই আপনাকে সহায়তা করবে। ত্বকের অতিরিক্ত তেলও শুষে নেবে। অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করবে। একসময় তো বিয়ের কনেকেও সাজানো হতো চন্দন দিয়ে। বিয়ের আসরে কনের কপালে ফুটে থাকত চন্দনের ফোঁটা। ত্বকে চন্দনের স্পর্শকে শুভ হিসেবেই বিচার করা হতো। রূপচর্চায় চন্দনের ব্যবহার করা হলে পরবর্তীকালে ত্বক ঠান্ডা পরশও পায়। রূপবিশেষজ্ঞরা এটিকে সব গুণে গুণান্বিত একটি উপাদান হিসেবেই দেখে থাকেন।

চন্দনগাছের কাঠ শুকিয়ে গুঁড়া করে পাওয়া যায় চন্দনগুঁড়া বা স্যান্ডেলউড পাউডার। ত্বক পরিষ্কার করা, উজ্জ্বল করা, রোদে পোড়া ভাব দূর করা, ত্বককে সজীব করে তোলা ছাড়াও অসংখ্য গুণ আছে এই উপকরণটির।

ত্বকের যত্নে ঠিক কতটা উপকারী চন্দন?

জেনে নেওয়া যাক একঝলকে:

১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ত্বকের ক্লান্তিভাব দূর করে।
২. ব্রণ বা ত্বকের দাগ দূর করে।
৩.ত্বকের ব্ল্যাকহেডস দূর করতে সাহায্য করে।
৪.নিয়মিত চন্দন মাখলে মুখের বলিরেখা মলিন হয়।
  • ৫.ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
  • ৬.অ্যাকনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • ৭.ত্বকের জেল্লা বাড়ে
  • ৮.মুখের দাগছোপ মলিন করে।
৯. চন্দনের সঠিক ব্যবহার ত্বকে কোমলতা এনে দেয়।
১০ যাদের ত্বক বয়সের কারণে ঝুলে গেছে, তাদের জন্য চন্দন বেশ উপকারী। কারণ, এটি ত্বককে টানটান রাখে।

চন্দনের ব্যবহার

যাদের ত্বক সংবেদনশীল, তাদের রূপচর্চায় অনেক বেশি সচেতন থাকা প্রয়োজন। সংবেদনশীল ত্বকে চন্দনের সঙ্গে হালকা টক দই ব্যবহার করা যায়।
মুখ, হাত বা পায়ের ত্বকের পাশাপাশি চন্দন সারা শরীরে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া বডি টনিং ও পলিশের জন্যও এটি বেশ কার্যকর। চন্দনের সঙ্গে মধু মিশিয়ে সারা শরীরে ব্যবহার করা যায়। ব্যবহারের ১০-১২ মিনিট পর চন্দনটা তোলার জন্য জলপাই তেল দিয়ে মালিশ করে নিন। চন্দনের মিশ্রণ ধুয়ে ফেলার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো। এ ক্ষেত্রে গোলাপজল, গ্লিসারিন ও জলপাই তেল সমপরিমাণ মিশিয়ে ময়েশ্চারাইজার ঘরেই তৈরি করতে পারেন। প্রতি সপ্তাহে এক থেকে দুবার চন্দনের প্যাক ব্যবহার করলে ত্বককে আরও প্রাণবন্ত ও সতেজ করে তোলা যায়।
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

রূপচর্চায় চন্দন