সাধারণত আমাদের হাত ও পায়ের নখ মসৃণ হয়। স্বাভাবিক নখে কোনো দাগ অথবা গর্ত থাকে না। সুস্থ নখ দেখতে হালকা গোলাপি রঙের হয়ে থাকে।
নখে হঠাৎ কোনো পরিবর্তন আসলে সেটি কোনো সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। তাই কোন ধরনের পরিবর্তন কী নির্দেশ করতে পারে তা জানা প্রয়োজন। এতে করে কিছু জটিল রোগ প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করা সম্ভব হবে। জটিল রোগ না হয়ে থাকলে সেটিও নিশ্চিত হয়ে নেওয়া যাবে
যদি কখনো নখের কোণা বাইরের দিকে বড় না হয়ে ত্বকের ভেতরের দিকে বাড়তে থাকে, তখন তাকে নখকুনি বলে। সাধারণত পায়ের বুড়ো আঙুল এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়। নখের স্বাভাবিক গঠন যদি বাঁকা অথবা ফ্যানের মত হয় তাহলে এমনটা হতে পারে। এ ছাড়াও এমন হতে পারে যদি
- আঁটসাঁট জুতা কিংবা মোজা পরা হয়
- পা বেশি ঘামে
- ভুল নিয়মে নখ কাটলে
- নখে কোনো আঘাত পেলে
নখের এই বাড়তি অংশ ত্বক ভেদ করে ভেতরে গেলে আশেপাশের ত্বকসহ নখে প্রচুর ব্যথা হয়। এ ছাড়াও নিচের সমস্যাগুলো হতে পারে—
- লাল হয়ে যায়
- পুঁজ অথবা তরল পদার্থ জমে ফুলে যায়, জ্বর আসে অথবা শরীরে কাঁপুনি হয়
- রক্তপাত হয়
- সাদা অথবা হলুদ রঙের পুঁজ বের হয়ে আসে
- নখের চারপাশের মাংস ফুলে যায়
এসব অবস্থা সৃষ্টি হলে দ্রুত ডাক্তার দেখাতে হবে। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে যেন নখের ইনফেকশন না হয়। এজন্য—
- নখ শুকনো রাখতে হবে
- প্রয়োজনে হালকা কুসুম লবণ পানিতে কিছুক্ষণ পা ভিজিয়ে রাখা যায়
- ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক জুতা পরতে হবে
- ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ও আইবুপ্রোফেন খাওয়া যেতে পারে
- নিজে নখ খোঁচাখুঁচি বা কাটার চেষ্টা করা যাবে না
এর পরেও যদি ব্যথা না কমে অথবা পুঁজ বের হয়ে আসে তাহলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। রোগীর ডায়াবেটিস থাকলে কিংবা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসলে ঘরে বসে দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।
