চোখের এলার্জি দূর করার ঘরোয়া উপায়

চোখের এলার্জি দূর করার ঘরোয়া উপায়(Eye Allergy Home Remedies)

চোখের এলার্জি সমস্যা হয় এবং চোখ চুলকায়, বেদনাদায়ক এবং কখনও কখনও চোখ এমনকি জল হয়ে যায়।

অ্যালার্জিক কনজেক্টিভাইটিস সারা বিশ্বে প্রচলিত সবচেয়ে সাধারণ চোখের রোগ।কিছু সহজ পদক্ষেপ বারবার এলার্জিক কনজাংটিভাইটিস এপিসোডে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করতে পারে।

ধূলিকণা এবং খুশকি, পরাগ, ছাঁচ, ধুলো মাইট, দূষিত ধোঁয়া, আবহাওয়ার পরিবর্তন বা ঋতু ধূপের ধোঁয়া ইত্যাদি হল সবচেয়ে সাধারণ অ্যালার্জেন। বিভিন্ন লোক বিভিন্ন চোখের জ্বালাপোড়ার প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং তাই কখনও কখনও সমস্যাটি সনাক্ত করা কঠিন।অনেক সময় আপত্তিকর অ্যালার্জেন শনাক্ত করা সম্ভব হয় না! সেক্ষেত্রে গরম, ধুলোময় স্থান এড়িয়ে চলা এবং ঠাণ্ডা পরিষ্কার জায়গায় বেশি করে ঘরের ভিতরে থাকাই ভালো।

 চোখের অ্যালার্জির লক্ষণ হল

  • চোখ লাল হয়ে যেতে পারে
  • খুব জল পড়ে
  • চোখ চুলকায়
  • চোখ জ্বালা করতে পারে
  • চোখে ঝাপসা দেখা সম্ভব।

চোখের অ্যালার্জির ঘরোয়া উপায়ে সমাধান

 
 চোখে টি ব্যাগ ব্যবহার করুন (Tea Bag)

 চায়ে থাকে অনেকটা পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই টি ব্যাগ ব্যবহার আপনি করতেই পারে। ৫ টি ব্যাগ জলে ফেলে সামান্য গরম করুন। তারপর সেই টি ব্যাগ সহনযোগ্য অবস্থায় এলে চোখের উপর রাখুন। দেখবেন, মিলছে আরাম। তাই চিন্তা নেই।


গরম সেক দিন চোখে
এক্ষেত্রে একটি কাপড় নিন। তারপর তা দিয়ে সেক দিন চোখে। তবে সেক দেওয়ার জন্য কাপড় আগুনের সামনে নিয়ে যাবেন না। নিজের হাত দিয়ে ঘষে নিন কাপড়। দেখবেন গরম হয়ে গিয়েছে। এরপর চোখের উপর রাখুন।

 

গোলাপ জল

গোলাপ জল চোখের অ্যালার্জি নিরাময়ের জন্য খুবই উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান।এটি চোখের জ্বালাকে প্রশমিত করে,ঠান্ডা রাখে এবং চোখকে পরিষ্কার রাখে। এটি চোখের ড্রপ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।



জল বেশি খান চোখে অ্যালার্জি থাকলে
জল বেশি করে পান করার চেষ্টা করুন। শরীরে জল বেশি গেলে চোখে তরলের ঘাটতি হবে না। সেক্ষেত্রে অ্যালার্জি কাটবে জলদি। এটা মাথায় রাখুন।

আলু, শসা, টমোটে দিন চোখে অ্যালার্জি থাকলে
চোখে আলু, শসা, টমেটো দিতে হবে। প্রথমে চোখ বন্ধ করে নিন। তারপর এই জিনিসগুলি কেটে নিয়ে চোখের উপর রাখুন। দেখবেন আরাম মিলবে খুব দ্রুত।

 

চোখের অ্যালার্জি থেকে মুক্ত থাকতে ধুলাবালু, পশু ও পোষা প্রাণীর সংস্পর্শ, বাগান পরিচর্যা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে হবে। ময়লা বা পুরোনো কাপড়চোপড়, পুরোনো বইপুস্তক, আসবাব সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হবে। প্রসাধনসামগ্রী, সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।  অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস হলে চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শে ওলোপেটাডিন বা প্রয়োজনে স্টেরয়েডজাতীয় ড্রপ ব্যবহার করতে হবে। অনেক সময় অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় বড়ি সেবন করতে হয়।

 

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

রূপচর্চায় চন্দন